মিথ্যা মামলা করে কারাগারে দাগনভূঞার খালেক

ফেনীর আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের ও প্রতিপক্ষকে অন্যায়ভাবে হয়রানির অভিযোগে মামলার বাদী আবদুল খালেককে (৬০) ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে এক হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিনদিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ রায় দেন।

বাদী আবদুল খালেক ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের আবদুল নবী গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্র জানায়, গ্রামের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘরপোড়া ও মারামারির ঘটনা দেখিয়ে ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর আবদুল খালেক ফেনীর আমলি আদালতে একটি মামলা করেন। এতে প্রতিপক্ষের ১১ জনকে আসামি করা হয়।

একই ঘটনা দেখিয়ে আবদুল খালেকের মেয়ে মর্জিনা আক্তার ওই বছর ২২ ডিসেম্বর ৬ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা করেন। কিছুদিন আগে মর্জিনা আক্তারের মামলায় রায়ে আসামিদের সবাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

আবদুল খালেকের দায়ের করা মামলায় উভয়পক্ষের শুনানির ভিত্তিতে মামলার বাদীকে ১১ জন আসামির বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে একই ঘটনাকে দেখিয়ে পৃথক মামলা করা, আদালতে মিথ্যা তথ্য প্রদান করা এবং আসামিদের দুটি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করায় ফৌজদারি আইনের ধারায় ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেন, অনাদায়ে আরও তিনদিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

আদালত রায় পর্যালোচনায় বলেন, অভিযোগকারী আবদুল খালেক ইচ্ছাকৃতভাবে আসামিদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে একই ঘটনাকে দেখিয়ে দুটি পৃথক মিথ্যা মামলা করায় এবং ওই অভিযোগ অস্বীকার করায় দৃষ্টান্ত হিসেবে এ সাজা দেয়া হয়।

ফেসবুকে কমেন্ট করুন -আপনার মতামত দিন